বৃহস্পতিবার ১৫ই এপ্রিল, ২০২১ ইং ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

টঙ্গীতে চিকিৎসা সেবায় শীর্ষে ডাক্তার মোঃ মাসুদ রানা…

আপডেটঃ ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ | মার্চ ২১, ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি: টঙ্গীতে চিকিৎসা সেবায় শীর্ষে  ডাক্তার  মোঃ মাসুদ রানা । পায়ের ব্যথা নিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন রহিম উদ্দিন,তিনি জানান, আধা ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছি পায়ের ব্যথা নিয়ে ডাক্তার মোঃ মাসুদ রানার কাছে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার জন্য।২ঘন্টা লাগলেও দাঁড়িয়ে থাকব তার চিকিৎসা সেবায় আমি এখন আগের চেয়ে অনেক দাঁড়াতে পারি ও সুস্থ আছি। এমন বক্তব্য, চিকিৎসা নিতে আসা, মনোয়ারা বেগম জানান, ডাক্তার মাসুদ রানা একজন অমায়িক ভালো ডাক্তার।কয়েক শো রোগীদের ভালোভাবে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন ধৈর্য সহকারে আমাদের কথা গুলো শুনেন।আমার মত ডাক্তার মাসুদ রানার কাছে ১০০ র উপরে মহিলারা দাড়িয়ে আছেন চিকিৎসা সেবা  নেওয়ার জন্য।

ওই ডাক্তার মাসুদ রানা একজন জেনারেল প্রাকটিশিয়ান ,মেডিকেল অফিসার যিনি ডায়াবেটিস ,মেডিসিন ,শিশু ও মহিলা বিভাগে বিশেষ  অভিজ্ঞ বলেন, কমরউদ্দিন চাচা, আরো জানান, গরীব-ধনী সব রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন ডাক্তার মাসুদ রানা।আমরা সবাই তার চিকিৎসায় ভালো হয়ে গেছি তাই  কষ্ট হলেও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছি চিকিৎসা সেবা নেওয়ার জন্য।চিকিৎসাসেবা নিতে এসে কতিপয় এমন কিছু রোগী ছাড়াও টঙ্গী আশেপাশে আরও,ঢাকা, উত্তরা ,পুবাইল ,গাজীপুর থেকে শত শত রোগের রোগী  ডাক্তার মাসুদ রানার কাছে চিকিৎসা নিতে আসে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিরলসভাবে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন ডাক্তার মাসুদ রানা। সকাল আটটা হতে দুপুর ২ টা ৩০পর্যন্ত চলছে এই চিকিৎসা সেবা থেমে নেই কোন একটু তেও।  দুপুরের খাবারের পাশাপাশি ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন রোগীদের। টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ৪৭ জন ডাক্তার থাকলেও, আরো প্রয়োজন ২০ থেকে২৫ জন ডাক্তারগণ।ফলে১৭ থেকে ১৮ জন মেডিকেল অফিসার এর মধ্যে গুটি কয়েক জন ডাক্তার বাদে সবাইকে রোগীর সেবা দিতে হচ্ছে কয়েক গুণ। তেমনি একজন ডাক্তার মাসুদ রানা। ডঃ মাসুদ রানা একান্ত সাক্ষাৎকারে জানান, দুই শিফটে আমরা মেডিকেল অফিসার রা সেবা দিয়ে যাচ্ছে২৪ ঘন্টা এমার্জেন্সি তে, চেম্বারে দিচ্ছি সকাল আটটা হতে দুপুর২ টা ৩০ পর্যন্ত। প্রতিদিন ১০০ হতে ২০০ রোগী আমাদের চিকিৎসা সেবা দিতে হয়।

অনেক সময় ব্যয় করে রুগীরা দীর্ঘ  লাইনে দাঁড়িয়ে সেবা নিচ্ছে, এতে করে আমারও কষ্ট লাগে, কি করবো, হাসপাতালের পুরাতন ভবনে নেই কোন বাথরুম, পানির ও কোন ব্যবস্থা নেই, বসার মত তেমন কোনো স্থান ও  নেই, রোগীরা আমাকে ভালোবেসে চিকিৎসা নিতে এসে অনেক কষ্ট করে যাচ্ছে।হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের কাছে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ, অচিরেই পুরাতন ভবনে বাথরুমের ব্যবস্থা, রোগীদের বসার জন্য জায়গা ব্যবস্থা করে দিলে চিকিৎসা সেবা আগের চেয়ে আরও অনেক উন্নত হবে।