মঙ্গলবার ১১ই মে, ২০২১ ইং ২৮শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন

আপডেটঃ ১১:১৮ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ১৭, ২০২১

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার চরাঞ্চলের মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তা নদীর অববাহিকায় চরের বেলেমাটিতে ৪৫০ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ করা হয়েছে। চরাঞ্চলে চাষ করা মিষ্টি কুমড়া মধ্যে ব্ল্যাক সুইটি, মিতালি, ব্ল্যাক সিটি সেরা, সোহাগী জাত উল্লেখ্যযোগ্য। গাইবান্ধা জেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, ইউনাইটেড সিড স্টোর কৃষি অধিদপ্তরকে বিনামূল্যে এসব বীজ দিয়ে সহযোগিতা করায় কৃষি অধিদপ্তর কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও প্রযুক্তিগত পরামর্শ প্রদান করেছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল মতিন বলেন, অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত জমিতে দুই থেকে তিন ফুট গভীর করে জৈব সার দিয়ে ৬ থেকে ৮ ফুট পর পর একটি করে গর্ত তৈরি করা হয়। চরে পানি দ্রুত নিচে চলে যায় বলে গর্ত গভীর করতে হয়। পরে গর্তে কুমড়ার বীজ জমিতে বপন করতে হয়। এক বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করতে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচ হয়। বীজ বপনের ৮০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে কুমড়া বিক্রি করা সম্ভব হয়। চলতি মৌসুমে মার্চ মাসের শেষ হতে ক্ষেত থেকে কুমড়া তুলে বিক্রি করা হচ্ছে। গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের কৃষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ভালো ফলন হলে এক বিঘা জমির উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হবে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। বাজারে প্রতিটি কুমড়া ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হলে বিঘা প্রতি ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব হবে। গাইবান্ধা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান বলেন, কৃষকদের মাঝে হাইব্রিড মিষ্টি কুমড়ার বীজ বিতরণ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় জেলায় দিন দিন মিষ্টি কুমড়ার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি মৌসুমে গাইবান্ধায় পাঁচ হাজার চারশত কৃষক মিষ্টি কুমড়ার চাষ করেছে। গত বছরের চেয়ে এবার ১৫ হেক্টর জমিতে কুমড়ার চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। মিষ্টি কুমড়ার ফলন ভালো হয়েছে। আবহাওয়া ও বাজার দর অনুকূলে থাকলে কৃষকগণ লাভবান হবে।