মঙ্গলবার ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

কুষ্টিয়ায় ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্সের মৃত্যু দাবীর চেক প্রদান ও উন্নয়ন সভা……

আপডেটঃ ১:১২ পূর্বাহ্ণ | মে ১০, ২০২১

চ্যানেল সেভেন প্রতিবেদক : ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্সের সেবা উন্নত হওয়ায় দিন দিন গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে এই প্রতিষ্ঠানটি সুখ্যাতি লাভ করেছে। গতকাল রবিবার দুপুরে লাভলী টাওয়ারে ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কুষ্টিয়ার জোনাল অফিসে চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান ও উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আনিসুজ্জামান ডাবলু প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্সের কুষ্টিয়ার চীফ জোনাল ম্যানেজার ইন্সুরেন্স কুষ্টিয়ার জোনাল ম্যানেজার মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্সের সহকারী জোনাল ম্যানেজার মাহফুজা রহমান পপি ও সহকারী জোনাল ম্যানেজার নজরুল ইসলাম। অফিস ইনচার্জ ওহাব আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মরহুম শহিদুল ইসলামের মৃত্যু দাবীর চেক হস্তান্তর করা হয় তার স্ত্রী শামীমা সুলতানার নিকট। এসময় তার একমাত্র পুত্র সজিব উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনিসুজ্জামান ডাবলু বলেন, ইন্সুরেন্স নিয়ে মানুষের মাঝে ভীতি কাজ করে। দেশের অধিকাংশ ইন্সুরেন্স সঠিক সেবা প্রদানে ব্যর্থ এতে গ্রাহক যেমন হয়রানীর শিকার তেমনিভাবে আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়ছে তাতে ইন্সুরেন্স সম্পর্কে মানুষের মাঝে বিরূপ ধারনা জন্ম নিয়েছে। তিনি বলেন, আমি ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্সর একজন গ্রাহক আমি এখানকার সেবা পেয়ে সন্তুষ্টু এতে এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আমার ধারনা পরিস্কার এবং ভাল। তিনি বলেন, গ্রাহকদের সঠিক সেবা প্রদান দিতে পারলে গ্রাহকেরা সন্তুষ্ঠ থাকলে সেখানে ভাল ব্যবসা করা সম্ভব। তাই প্রতিষ্ঠানকে সব সময় গ্রাহকের সেবার মানের দিক খেয়াল রাখতে হবে। তিনি বলেন, ব্যবসার মাধ্যমে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মানুষের আমানতকে যত্ন করে তাকে সেবা দিতে পারলে সফলকাম হওয়া সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে চীপ জোনাল ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স দেশের প্রথম শ্রেনীর একটি বীমা প্রতিষ্ঠান। গ্রাহক সেবা প্রদানে আমরা বধ্য পরিকর। সেবা দিয়ে আমরা মানুষের মন জয় করে নিতে সক্ষম তাই আজ আমরা বীমা শিল্পে সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছি। তিনি বলেন- মরহুম শহীদুল সাহেব একটি বীমা শুরু করেছিলেন, রোগজনিত মৃত্যুর কারনে আমরা তার পুরো বীমা পরিশোধ করলাম এটাই আমাদের সেবার বৈশিষ্ট। আমাদের নিকট গ্রাহক কোনভাবেই প্রতারিত এবং হয়রানি হয় না। পরে তিনি ১২লাখ ২৪ হাজার আটশত চার টাকার মৃত্যু দাবী চেক হস্তান্তর করেন। এছাড়া কয়েকটি মেয়াদ পুর্নকালীন চেক হস্তান্তর করা পওে উন্নয়ন সবা অনুষ্ঠিত হয়। উন্নয়ন সভায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।