মঙ্গলবার ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

তৃণমূল শক্তিশালী হলে , যুবলীগ শক্তিশালী হবে- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে – আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম……..

আপডেটঃ ৭:৩৬ অপরাহ্ণ | জুন ০৭, ২০২১

এস, এম, মনির হোসেন জীবন ॥ -: তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই হচ্ছে  যুবলীগের প্রাণ। তারা জীবন দিয়ে সকল প্রতিকূলতা, ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দলকে টিকিয়ে রেখেছে এবং দলকে শক্তিশালী করে দুবা’র গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। 
একারণেই দেশবিরোধীদের কোনো অপচেষ্টা কখনো সফল হয়নি। তৃণমূল শক্তিশালী হলে  যুবলীগ  শক্তিশালী হবে।  দেশ এগিয়ে যাবে।  এর কোনো  বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আরও এক ধাপ এগিয়ে  যাবে।

আজ সোমবার সকালে রাজধানী তুরাগে আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি এস. এম. মনির হোসেন জীবনের সাথে এক বিশেষ সাক্ষাতকারে  তুরাগের ৫৩ নং ওয়াড’ যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক  প্রাথী’ আলহাজ্ব  মো, রফিকুল ইসলাম  এসব কথা বলেন।
হরিরামপুর ইউনিয়ন সাবেক ৫ নং ওয়াড’ যুবলীগের সভাপতি  আলহাজ  রফিকুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমান  ও শেখ হাসিনার কর্মীরা কখনো দলের প্রশ্নে, নীতির প্রশ্নে, আদর্শের প্রশ্নে কারো সঙ্গে আপোষ করেনি। 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ, আওয়ামী লীগ এগিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এগিয়ে যান, আর তিনি এগিয়ে গেলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়। জানা গেছে, রাজধানীর তুরাগ থানার সাবেক ৫ নং ওয়ার্ড বর্তমানে ডিএনসিসি ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড শুক্রভাংগা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা  আলহাজ্ব  মো, লাল চান মিয়ার ছেলে  বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে আগমন ঘটে।

তিনি বলেন, ২০০৬ সালে বৃহত্তর উত্তরা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও হরিরামপুর ইউনিয়র পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্বা মো: আবুল হাসিম  এর হাত ধরে  এবং তার ছেলে মহিবুল হাসানের  সহযোগিতায়  আমি যুবলীগের  সদস্য নির্বাচিত হই। এর পর আমাকে একজন তৃণমূল নেতা ও দলীয় ভাবে কাজের পারফরমেন্স দেখে যুবলীগ আমাকে মূল্যায়ন করে ।  পরবতী’তে ২০০৬  সালের পর  আমি সাবেক ৫ নং ওয়াড’ যুবলীগের  প্রচার সম্পাদক  করা হয়। তার পর আমি সভাপতি  হয়ে এরপর থেকে উৎসাহ আর উদ্দীপনা নিয়ে অদ্যবধি পর্যন্ত দলের জন্য জীবন বাজী রেখে কাজ করছি।

আগামী দিনে দলকে শক্তিশালী করার আশাবাদ ব্যক্ত করে যুবলীগের এই পরীক্ষিত নেতা  রফিকুল ইসলাম বলেন, যতই বাধা আসুক না কেন ? আগামী দিন গুলোতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী যুবলীগ শক্তিশালী করার জন্য তুরাগ থানার প্রত্যেকটি ওয়ার্ডকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাবো। 
আমার পরিবার হল রাজনৈতিদক দলের পরিবার উল্লেখ করে যুবলীগ নেতা  রফিকুল ইসলাম বলেন,  পুরানো দিনের দলের অনেক ত্যাগী নেতা চুপচাপ বসে আছে। তাদের মধ্যে অনেকে পদ পায়নি, আজকে দল ক্ষতায় আসলে ও নব্য ও হাইব্রিড নেতারা পদে পদে সয়লাব হয়ে গেছে। সেই দিন কোথায় ছিলেন দলের হাইব্রিড ও নভ্য আওয়ামীলীগ নেতারা।  সেই দিন তো আমার আওয়ামীলীগের দু:সময়ে বিপদের সময় কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাহলে কি দলের ত্যাগী নেতাদের কি কোন মূল্যায়ন থাকবেনা ?। তাহলে তারা কি  কোন পদ পদবী পাবেন না?

তিনি আরও বলেন, একটি সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য যত ধরনের ত্যাগ আর পরিশ্রম করার দরকার ছিল সেটি আমি করে যাচিছ। বিভিন্ন সময় গরিব-দুঃখীদের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই। 
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা, যুবলীগ চেয়ারম্যান,  সাংগঠনিক দিক থেকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে যুবলীগকে এগিয়ে নিয়ে যাচেছ। একই সাথে যিবলীগ নেতা মাইনুল ইসলাম খান নিখিল ও মো: ইসমাইল হোসেন ভাইয়ের নেতৃত্বে আমি যুবলীগ করছি।

তিনি বলেন, দলের পরীক্ষিত,ত্যাগী তৃণমূল পর্যায়ের পদ-পদবী প্রাপ্ত যুবলীগ নেতারা দলের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করছেন। দলকে শক্তিশালী করার লক্ষে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচেছন। আগামী দিনের দলের পরিক্ষিত নেতাদেরকে অবশ্যই দল মূল্যায়ন করবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলীয় কর্মকান্ড, নিজের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও দলের পারফর্ম দিয়ে একজন দলের কর্মী কিংবা নেতাকে মনে রাখতে হবে তার আগামী দিনের পথচলা। নিজের যোগ্যতা আর রাজনৈতিক অভিঞ্জতার মধ্য দিয়ে একজন সৎ ও ত্যাগী নেতা তৈরী করা। 
 রফিকুল ইসলাম  বলেন, দলের একজন স্বচছ রাজনীতিক কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নীতি নির্ধারকরা আগামী দিনে দলের পরিক্ষিত নেতাদেরকে বেছে নিবেন।

রাজনীতি করতে হলে তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিযোগিতা থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদের গড়ার প্রত্যয়ে দলের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করছি। 
অপর এক প্রশ্নের জবাবে আলহাজ মো, রফিকুল ইসলাম বলেন, রাজনীতি করতে হলে তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিযোগিতা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আমি দলের হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনেই স্বচছ ভাবে রাজনীতি করি। আর রাজনীতিকে রাজনীতি ভাবেই মোকাবেলা করা উচিৎ।
তিনি আরও বলেন, আমি মানুষের কল্যানের জন্য রাজনীতি করি। দেশের আপামর জনগনকেই নিয়েই আমার রাজনীতি। রাজনীতি করার ক্ষেত্রে যত ধরনের বাঁধা আসুন না কেন, সকল বাঁধা অতিক্রম করে আমরা ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্বে রাজনৈতিক মাঠে এসব কিছু মোকাবেলা করবো।
এক প্রশ্নের জবাবে আলহাজ্ব  মো,  রফিকুল ইসলাম  বলেন, আমি দীর্ঘ দিন ধরে  যুবলীগ করছি। যুবলীগে কোন চাঁদা বাজ, ধান্দা বাজ,  ঠকবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, নেশাখোর ও সন্তাসীর জায়গা নেই।

যুবলীগের নতুন কমিটি খুবশিগগিরই ঘোষনা করা হবে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ঢাকা- ১৮ আসনের সাবেক এমপি  এডভোকেট  সাহারা খাতুনের আমলে যুবলীগের কমিটি ঘোষনার জন্য কাগজপএ জমা দিয়েছিলাম। ২০২০ সালে ওই কমিটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হয়নি। এটা ২০২১ সালের মধ্যে  হবে। আশা করছি খুব শিগগিরই কমিটি ঘোষনা করা হবে।
যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম  বলেন, ঢাকা-১৮ আসনের (এমপি)  আলহাজ্ব  হাবিব হাসানের হাতকে বেগমান ও আরো শক্তিশালী করতে তুরাগের নেতাকর্মী ও মানুষকে ঐক্যবদ্ব হতে হবে। তিনি একজন ভালো  মানুষ। আমাদের  এলাকার অনেক উন্নয়ন  কাজ তিনি করে যাচ্ছেন।  তার কোন বিকল্প নেই।

কিশোর গ্যাং ও মাদকের অবাধ ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, কিশোর গ্যাং বন্ধে আমাদের  দেশের প্রশাসন ভালো  কাজ করছেন। এটা যে কোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে। একই সাথে মাদক বিক্রি ও সেবন বন্ধ করতে হবে। তা না হলে সমাজে অপরাধ কমবেনা।  দলের জন্য সবাইকে একযোগে ঐক্যবৃদ্ধ  হয়ে কাজ করতে  হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম  বলেন, ২০২১ সালের সরকার কতৃ’ক ঘোষিত জাতীয় বাজেটকে আমি স্বাগত জানাই। যে কোন দেশের উন্নয়নের জন্য  বড় বাজেট দরকার হয়। এবারের বাজেট খুব ভালো  হয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। 

শেখ হাসিনা সরকার সারা বিশ্বের মধ্যে উন্নয়নের রোল মডেল জানিয়ে  তিনি আরও জানান,  বত’মান সরকার বাংলাদেশকে এগিয়ে  নিয়ে যাচ্ছে।  দেশের টাকা দিয়ে পদ্মা সেতু তৈরী করা হয়েছে।  তুরাগের ডিয়াবাড়িতে স্বপ্নের  মেট্রোরেল  তৈরী করা হয়েছে। যা আগামী কিছু  দিনের মধ্যে  চালু হবে। এছাড়া  ঢাকায় ফ্লাইওভার, সারা দেশের ফোরলেন রাস্তাঘাট, রেললাইন,সেতু  নিমা’নসহ ব্যাপক উন্নয়ন করছে সরকার।
তিনি আরও বলেন, কাউকে রাজনীতির মাধ্যমে ডিসকোয়ালিফাই করার প্রবণতা ত্যাগ করতে হবে। যারা রাজনীতি করে তাদের জনগনের কাছে যাওয়ার অধিকার আছে। ধৈর্য্য, সাহস, বুদ্ধিমত্বা, ভাল ও সুন্দর কর্ম ছাড়া কেউ রাজনীনিতে এগিয়ে যেতে পারেনা।

নিজেকে পারিবারিক ভাবে অনেকটা সুখি দাবি করে যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম  বলেন,  ১৯৭৮ সালে আমি  রাজধানীর নয়ানগর শুক্রভাংগা গ্রামের এক মুসলিম পরিবারের সৈয়দ  বংশে  জন্মগ্রহন করি।  আমার পিতার নাম  আলহাজ মো: লাল চান  মিয়া । মাতার নাম ময়না বেগম। পারিবারিক ভাবে ১ পুত্র ও ২ কণ্যা সন্তানের জনক আমি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,  বাংলাদেশ  চিরজীবী হউক।