বুধবার ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

কাঠালিয়া থানার ইউ এন ও-সুফল চন্দ্র গোলদার এর ক্ষমতার অপব্যবহার দেখবে কে……..

আপডেটঃ ৬:৫১ অপরাহ্ণ | জুন ২২, ২০২১

চ্যানেল সেভেন প্রতিনিধিঃ –উৎকোচ নিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিলামের সঠিক তথ্য গোপন রেখে ৫৭ বছর আগের নামজারি ভেঙে দিল কাঠালিয়া থানার ইউ এন ও সুফল চন্দ্র গোলদার। ১৯৬৪ সালের নিলামের জমি ৫৭ বছর যাবত খাজনা দিয়ে আসা জমির মালিক একেএম মোস্তফা কামালের ৫৫ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টায় সোলেমান খান প্রিন্স কাঠালিয়া থানার ইউএনও সুফল চন্দ্রকে উৎকোচ দিয়ে ভুয়া জমির মালিক দিলীপ দাস কে সাজিয়ে ইউ এনও  বরাবর মিথ্যা অভিযোগ করিয়ে ১২।০৫।২০২১ সালে কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৫৭ বছর আগের মিউটেশন নামজারি ভেঙে দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। মূল জমির মালিক একে এম মোস্তফা কামালের উপর বিভিন্ন প্রকারের হয়রানি নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে একাধিক। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর জনশ্রুতি রয়েছে অনেক । ১৬।০৬।২০২১ তারিখে প্রচার করেন মিউটেশন নামজারি বাদ করে দিয়েছে ইউএনও  সোলেমান খান প্রিন্স এলাকায় কাগজগুলি দেখান সবাইকে ঘুরে ঘুরে।এর রহস্য কি জানতে চায় এলাকাবাসী।

সূত্র হতে জানা যায় যে, বাকেরগঞ্জ ,মৌজা কচুয়া,জে,এল ৩৯।১৯৮৫,১৯৮৬{,৭৬২} কোটস part-2 নামজারির মোকদ্দমা করা হয় ৩০-০৬.১৯৮৬।
নামজারির মালিকগণ হলেন, সালেহা বেগম,মুনসুর আহমেদ, এ কে এম মোস্তফা কামাল, হারুন-অর-রশিদ, রিজিয়া বেগম, আনোয়ারা বেগম, মমতাজ বেগম।।{ ১১৩১ }মুল নিলামের মামলায়  ভূমি বিক্রয়ের সার্টিফিকেটের মূল মালিক একেএম মোস্তফা কামালের। ঝালকাঠি পিরোজপুর এর রেকর্ড অফিসার নাহিদ ভূঁইয়ার তথ্যমতে বাদী-বিবাদী কারো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি সিলিপ প্রদান করেন দুইজনকে  রেকর্ড অফিস থেকে।
১২ ই মে২০২১ নামজারি বাতিল করে ১৬ ই জুন২০২১ তা প্রচার করে শুফল চন্দ্র গোলদার  প্রিন্স এর মাধ্যমে। কোন ক্ষমতার বলে ৫৭ বছর আগের মিউটেশন নামজারি বাতিল করে কোন প্রকার নোটিশ ছাড়াই বিবাদী একে এম মোস্তফা কামালকে  না  জানিয়ে ।  সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সহ ঝালকাঠি জেলা  প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ ভুক্তভুগী অসহায় একে এম মোস্তফা কামালের  পরিবারের প্রতি  আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বিশেষভাবে আরজি।