বৃহস্পতিবার ১লা অক্টোবর, ২০২০ ইং ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

বান্দরবানে বিজিবি ও বিজিপির মধ্যে গুলিবিনিময়

আপডেটঃ ১০:৪৬ অপরাহ্ণ | মে ৩০, ২০১৪

বান্দরবান প্রতিনিধি : নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের পাইনছড়ি ৫২ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) মধ্যে গুলিবিনিময় ঘটে।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দুই পক্ষের গুলিবিনিময় শুরু হয়। বিকেল ৫টায় স্থানীয় সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, সীমান্তে থেমে থেমে গুলিবিনিময় হয়েছে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, বুধবার সকাল ৯টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি ইউনিয়নের পানছড়িতে ৫২ নম্বর পিলার এলাকায় নাইক্ষ্যংছড়ির ৩১ বিজিবির একটি টহল দলের ওপর কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করেন বিজিপি সদস্যরা। এ সময় বিজিবির নায়েক মিজানুর রহমান মিজান (সিপাহি নং- ৫৩৯৪৯) নিখোঁজ হন। ঘটনার পর থেকে মিজান, তার ব্যবহৃত এসএমজি ও ১২০ রাউন্ড গুলি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে জানা যায়, তিনি নিহত হয়েছেন এবং তার মৃতদেহ বিজিপি নিয়ে গেছে।

আজ মিজানের মৃতদেহ ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। সেজন্য নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তে অপেক্ষা করছিলেন বিজিবি সদস্যরা। কিন্তু মৃতদেহ ফেরত না দিয়ে অতর্কিতে বিজিবি সদস্যদের ওপর গুলি চালায় বিজিপি। পরে বিজিবি সদস্যরাও পাল্টা গুলি বর্ষণ করে।

গুলিবিনিময়ের ঘটনায় সীমান্তে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ৪৮ থেকে ৫৫ নম্বর পিলারের সীমান্তবর্তী এলাকায় বাংলাদেশ সেনা মোতায়েন করেছে।

নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি সীমান্ত এলাকার আতঙ্কিত বাসিন্দা সৈয়দ আলম বলেন, ‘গোলাগুলির কারণে আমরা ঘর থেকে বের হতে পারছি না।’

জানা গেছে, বিজিবি সদস্যদের ওপর মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আজ মিজানের মৃতদেহ আনতে সীমান্তে গিয়েছিলেন বিজিবি সদস্যরা। কিন্তু মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী কোনো সাড়া না দিয়ে অতর্কিতে গুলি চালায় বিজিবি সদস্যদের ওপর।

এদিকে মিজানের মৃত্যুর ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মামলা করেছে বিজিবি। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, মিজান কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ভেলা নগরের বাসিন্দা।