রবিবার ২৬শে মে, ২০১৯ ইং ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সাঘাটায় ফসলী জমিতে গড়ে উঠেছে অবৈধ ইটভাটা

আপডেটঃ ৮:০৫ পূর্বাহ্ণ | মার্চ ০৬, ২০১৯

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি-আনোয়ার হোসেন রানা-: গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ফসলী জমিতে গড়ে উঠেছে লাইসেন্স বিহীন অবৈধ ইটভাটা। এসব ইটভাটার কারণে বিপন্ন হচ্ছে পরিবেশ। আবাসিক এলাকা ও কৃষি জমির মধ্যে গড়ে তোলা এসব ইটভাটার কারনে ফসল উৎপাদন দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। নানা রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে এসব এলাকার সাধারণ মানুষ। উপজেলা বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা ৯টি ইটভাটার মধ্যে ৭টি অবৈধ। লাইসেন্স ছাড়াই এসব ইটভাটায় ইট তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে ফসলী জমির মাটি। সাঘাটা ইউএনও অফিস সূত্রে জানাগেছে, উপজেলায় ৯টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে ৭টি ইটভাটার লাইসেন্স নেই এমন তথ্য সেখানে আছে কিনা সঠিকভাবে জানাতে পারেন নি। নিয়ম লঙ্ঘন করে উপজেলার পদুমশহর ইউনিয়নে বি.এম.কে ব্রিক্স, কচুয়া ইউনিয়নে এস.ও.বি ব্রিক্স, ঘুড়িদহ ইউনিয়নে বি.এস.পি ব্রিক্স, এস.বি ব্রিক্স, কামালেরপাড়া ইউনিয়নের নূর ব্রিক্স, তালুকদার ব্রিক্স, পাওয়ার ব্রিক্স, সততা ব্রিক্স, বোনারপাড়া ইউনিয়নে এ.আর ব্রিক্স নামে এসব ইটভাটা আবাসিক এলাকা ও ফসলী জমিতে গড়ে উঠেছে। এগুলোর অধিকাংশই স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্মিত গ্রামীণ সড়কের আশেপাশে। এছাড়া বেশ কয়েকটি ইটভাটার আশেপাশে রয়েছে ক্ষেত, বাড়ী, বনায়নের বাগান ও জলাভূমি। সরেজমিন উপজেলার হাপানিয়া গ্রামে দেখা যায় জনাকীর্ণ আবাসিক এলাকায় গ্রামের প্রধান সড়কের পাশের্^ কৃষি জমির উপর গড়ে উঠেছে নূর ব্রিক্স নামে ইটভাটা। সবচেয়ে কামালেরপাড়া ইউনিয়নে পাশাপাশি ৪টি অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আছে কিনা জানতে চাইলে তালুকদার ব্রিক্স ইটভাটার মালিক সালাউদ্দিন সাংবাদিককে বলেন, আপনি কাগজ দেখার কে। ৮ বছর ধরে ভাটা চালাচ্ছি, ভাটা কি হাওয়ার উপর চলে। প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেই ভাটা পরিচালনা করছি। সাঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আর.এম.ও ডাঃ দিপঙ্কর জানান, ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় মানুষের শ^াসকষ্ট, ফুসফুসের ইনফেক্শন, হাপানী সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার ঘোষ জানান, অবৈধ ইটভাটা গুলোতে খুব দ্রুত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।